সৌদি আরবে একটি সোফা কারখানায় লাগা আগুনে দগ্ধ হয়ে সাত বাংলাদেশি প্রবাসীর মর্মান্তিক মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। তারা সবাই নওগাঁর আত্রাই উপজেলার বাসিন্দা এবং সৌদির ওই কারখানায় কাজ করতেন।
এ ঘটনায়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে স্থানীয় অনেককে মৃত্যুর সংখ্যা ১৫, ১৭ ও ১৯ জন উল্লেখ করেও পোস্ট করতেও দেখা গেছে। তবে এসব তথ্যের কোনো সত্যতা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
রোববার (৭ আগস্ট) সন্ধ্যায় আগুনের সংবাদ পান নিহতের স্বজনরা। এ ঘটনায় নিহতের গ্রামের বাড়িতে বইছে শোকের মাতম।
নিহতরা হলেন—আত্রাই উপজেলার কালিকাপুর ইউনিয়নের গন্ডগোহালি গ্রামের গাফ্ফারের ছেলে মোহন (২৭) ও সুমন (২৪), একই গ্রামের জান্নারের ছেলে রুবেল হোসেন (২৭) ও মাতা কারিমার ছেলে কলি (২৫)। শাহাগোলা ইউনিয়নের উদনপৈ গ্রামের মৃত ময়েন প্রামাণিকের ছেলে শেখ ফরদি (২৭)। বিশা ইউনিয়নের ডুবাই গ্রামের চঞ্চলের ছেলে হাসিবুল হাসান শুভ এবং পারকাসুন্দা গ্রামের একজন।
গন্ডগোহালি গ্রামের ইউপি সদস্য ইদ্রিস আলী বলেন, আমার গ্রাম থেকে অন্তত ৬০-৭০ জন যুবক সৌদি আরবে আছে। যারা সংসারে স্বচ্ছলতা ফেরাতে গত ৭-৮ বছর আগে সৌদি আরবের রিয়াদ অঞ্চলে একটি সোফা কারখানায় কাজ করছে। সন্ধ্যার দিকে সেখান থেকে খবর আসে, কারখানায় আগুনে অনেক লোকজন মারা গেছে। এর মধ্যে একই গ্রামের চারজন। এদের মধ্যে দুই সহোদর আছে। আগুনে চেহারা পুড়ে যাওয়ায় শনাক্ত করা সম্ভব হচ্ছে না। ধারদেনা করে সৌদি আরবে অনেকে গেছে। তারা এখনো ঋণ পরিশোধ করতে পারেনি। নিহতদের বাড়িতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
নওগাঁ জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, বিভিন্ন মাধ্যমে ৭ জন মারা যাওয়ার তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। তবে নিশ্চিত না হয়ে বলা সম্ভব নয়।
মতামত (০)
এখনো কোনো মতামত নেই, প্রথম মতামত দিন।