বাগমারা প্রতিনিধি
রাজশাহীর বাগমারা উপজেলায় চার বছর বয়সী এক শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগ উঠেছে ইমন (১৮) নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত ইমন পলাতক রয়েছেন। গুরুতর আহত অবস্থায় শিশুটিকে প্রথমে বাগমারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে শিশুটি রামেক হাসপাতালের ৯ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
এলাকাবাসী ও শিশুটির পরিবারের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে উপজেলার বাসুপাড়া ইউনিয়নের ঠাকুরপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত ইমন ওই গ্রামের বেলাল হোসেনের ছেলে। তিনি ঠাকুরপাড়া গ্রামের জাহাঙ্গীর আলমের একটি রাইস মিলে কাজ করতেন।
শিশুটির পরিবারের অভিযোগ, বাড়ির পাশে খেলাধুলা করার সময় ইমন অন্য একজনের মাধ্যমে শিশুটিকে রাইস মিলে ডেকে নেন। সেখানে নিয়ে শিশুটিকে বলাৎকার করা হয় বলে পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে।
পরিবারের সদস্যরা জানান, ঘটনার পর শিশুটি কান্নাকাটি করতে করতে তাদের কাছে বিষয়টি জানায়। পরে শিশুটির পরনের পোশাক রক্তমাখা ও ভেজা অবস্থায় পাওয়া যায়। তার শরীরের পেছনের অংশে গুরুতর জখম হয়েছে এবং সেখান থেকে রক্তক্ষরণ হচ্ছিল বলে পরিবারের সদস্যরা দাবি করেছেন।
আধুনিক মার্কেট
১টি যাত্রী • ১টি কার্গো
নিরাপত্তা নজরদারি
নিরাপত্তা ব্যবস্থা
ভবানীগঞ্জ নিউমার্কেটেই আসুন
শিশুটির বাবা বলেন, ইমন তার ছেলেকে রাইস মিলে ডেকে নিয়ে যান। সেখানে তার সঙ্গে খারাপ কাজ করা হয়েছে বলে সে জানায়। এতে শিশুটির পেছনের অংশে গুরুতর জখম হয়েছে। ঘটনার পর থেকে ইমনের সন্ধান করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
পরিবারের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, ঘটনার পর শিশুটিকে দ্রুত বাগমারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসকরা উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। বর্তমানে শিশুটি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
এদিকে ঘটনার পর অভিযুক্ত যুবক পলাতক থাকায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। শিশুটির পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযুক্তকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়েছে।
এ বিষয়ে বাগমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মতামত (০)
এখনো কোনো মতামত নেই, প্রথম মতামত দিন।