1. ssislambd@gmail.com : admin :
  2. ronynet5@gmail.com : Dainik Bagmara : Mahfuzur Rahman
  3. mahfuzur4@gmail.com : Mahfuzur Rahman : Mahfuzur Rahman
বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও প্রাসঙ্গিক কিছু কথা • দৈনিক বাগমারা    
শিরোনাম :
বাগমারায় যুব মহিলা লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে সভাপতি শাহিনুর,সম্পাদক পারভীন ৭০ বছর পর ছেলে ফিরে পেলেন মা নারী উন্নয়ন ফোরামের দ্বিমাসিক সভা অনুষ্ঠিত বাগমারায় যুব মহিলা লীগের সম্মেলন সফল করতে পৌর ছাত্রলীগের প্রচার মিছিল বাগমারায় যুব মহিলা লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন সফল করতে প্রচার মিছিল বাগমারার নবাগত ইউএনও ফারুক সুফিয়ানকে ছাত্রলীগের ফুলেল শুভেচ্ছা বাগমারায় পৃথক মামলায় দুই জন কারাগারে বাগমারায় কিস্তির টাকা দিতে ব্যর্থ হওয়ায় গৃহবধূ কে নির্যাতন বাগমারায় যুব মহিলা লীগের সম্মেলন সফল করতে নুরুল ইসলামের প্রচারণা বাগমারার নতুন ইউএনও কে রক্তদান পরিষদের ফুলেল শুভেচ্ছা বাগমারায় ‘কৃষকের বসতভিটা দখলের অভিযোগ’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ বাগমারার নতুন ইউএনও ফারুক সুফিয়ান বাগমারায় যুব মহিলা লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন ঘিরে সাজ সাজ রব বাগমারার যোগীপাড়ায় জোরপূর্বক পাকা ঘর নির্মাণের অভিযোগ শ্রীপুরে প্রচারণায় ব্যস্ত জিল্লুর রহমান, মনোনয়ন পেলে বিপুল ভোটে জয়ের আশা




বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও প্রাসঙ্গিক কিছু কথা

লেখক: শাহিনুর ইসলাম শাহীন
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ৫১৭ Time View

প্রতিমুহুর্ত্বের খবর দ্রুত পেতে পেজে লাইক দিয়ে আমাদের সাথেই থাকুন

০১ সেপ্টেম্বর ২০২০ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ৪২ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী। ১৯৭৮ সালের এই দিনে দলটির যাত্রা শুরু হয়। তখনকার রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এই দলটি প্রতিষ্ঠা করেন।

দেশের চরম ক্রান্তিলগ্নে গনমানুষের দল হিসেবে বিএনপির আত্মপ্রকাশ। গনতন্ত্রের মুক্তি এবং জনগনের ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনতে জিয়াউর রহমানের ক্ষমতা গ্রহণ ও বিএনপির প্রতিষ্ঠা অনিবার্য হয়ে উঠেছিল। এটি উপলব্ধি করতে হলে ৭৫ থেকে পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহ এবং তৎকালীন রাজনৈতিক পরিস্থিতির উপর কিছুটা আলোকপাত করা প্রয়োজন।

১৯৭৫ সালের ২৪ জানুয়ারি বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীবলে বহুদলীয় সংসদীয় সরকার পদ্ধতি পরিবর্তন করে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয় এবং একই সঙ্গে দেশের সকল রাজনৈতিক দল বিলুপ্ত করে বাকশাল নামক একক রাজনৈতিক দল গঠন করা হয়।দলটি দ্বিতীয় বিপ্লব তত্ত্বের অধীনে একদলীয় সমাজতন্ত্রের পক্ষে মত দেয়। বাকশাল প্রতিষ্ঠার পর তৎকালীন সরকার রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন শুধুমাত্র চারটি পত্রিকা রেখে সকল গনমাধ্যম নিষিদ্ধ করে জনগণের বাক স্বাধীনতা কেড়ে নেয়।বহু দলীয় গনতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ক্ষমতা হস্তান্তরের সকল পথ বন্ধ হয়ে যায়। দেশে স্বৈরাচারী সরকার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা লাভ করে।

যার ফলশ্রুতিতে একই বৎসর ১৫ আগস্ট একটি সামরিক ক্যু তে রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যু হলে বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ বা বাকশাল এর সকল কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। এরপর পরবর্তী তিন বছর অবৈধভাবে দেশ পরিচালনা করে অনির্বাচিত ব্যাক্তিগন। এবং দেশে একের পর অভ্যুত্থান পাল্টা অভ্যুত্থান ঘটতে থাকে। এইরকম বিশৃঙ্খল পরিস্থিতিতে ১৯৭৬ সালের ০৭ নভেম্বর দেশে সিপাহী জনতার বিপ্লব সংঘটিত হয়। সেই সময় বিচারপতি আ: সায়েম প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব নেন। অপরদিকে উপ প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান দায়িত্ব পালন করতে থাকেন। পরবর্তীতে,১৯৭৮ সালে জিয়াউর রহমান জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দিয়ে বহুদলীয় গনতান্ত্রিক রাজনৈতিক ব্যবস্থা পুন:প্রবর্তনের উদ্যোগ নেন।তখন বাকশালের কুশীলবরা পূর্বতন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠা তথা পুনরুজ্জীবিত করে।
তাই এটা স্বীকার করতেই হবে যে, জিয়াউর রহমানের ক্ষমতা গ্রহণ বাংলাদেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রের পথ উন্মুক্ত করে।

১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর বিকেল ৫ টায় রাজধানীর রমনা রেস্তোরাঁয় রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এক সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিক ঘোষণাপত্র পাঠের মাধ্যমে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেন। জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে ঘোষণাপত্র পাঠ ছাড়াও সেদিন প্রায় ২ ঘণ্টা ধরে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন তিনি।

সর্বশক্তিমান আল্লাহর ওপর বিশ্বাস, বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র ও সমাজতন্ত্র (অর্থনৈতিক ও সমাজিক ন্যায়বিচারের অর্থে) এই ৪ মূলনীতির ওপর ভিত্তি করে বিএনপি প্রতিষ্ঠিত হয়।

দলটির লক্ষ্য ছিল অর্থনৈতিক উন্নয়ন, গণতন্ত্রায়ন, বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে জাতীয় ঐক্য এবং জনগণের মধ্যে স্বনির্ভরতার উত্থান ঘটানো। এগুলোর ভিত্তিতে জিয়াউর রহমান তার ১৯ দফা ঘোষণা করেন।

এখানে উল্লেখ্য, বিএনপি গঠন করার আগে জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক দল (জাগদল) নামে আরেকটি দল সে সময়ের উপরাষ্ট্রপতি বিচারপতি আবদুস সাত্তারকে সভাপতি করে গঠিত হয়েছিল। ২৮ আগস্ট ১৯৭৮ সালে বিএনপি গঠন করার লক্ষ্যে জাগদলের বর্ধিত সভায় ওই জাগদল বিলুপ্ত ঘোষণা এবং এর অঙ্গ সংগঠনের সব সদস্য জিয়াউর রহমান ঘোষিত বিএনপিতে যোগদানের সিদ্ধান্ত নেয়।

১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রামে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়ানকদের নীলনকশায় বিপদগামী কতিপয় সেনা সদস্যের হাতে দলটির প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান নিহত হলে সে সময়ের উপরাষ্ট্রপতি বিচারপতি আবদুস সাত্তার বিএনপি চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নেন। বার্ধক্যজনিত কারণে তিনি অবসর নিলে ১৯৮৪ সালের ১০ মে দলের চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হন বেগম খালেদা জিয়া। এর আগে ১৯৮২ সালে ৩ জানুয়ারি বিএনপিতে যোগ দেন তিনি। এবং ১৯৮৩ সালের মার্চ মাসে তিনি ( খালেদা জিয়া) বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন।

প্রতিষ্ঠার পর দলটি ৪ দফা ক্ষমতায় ছিল। ২ দফা ছিল জাতীয় সংসদের প্রধান বিরোধী দল। প্রতিষ্ঠার পর ১৯৭৯ সালে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয়, ১৯৯১ সালে অনুষ্ঠিত পঞ্চম, ১৯৯৬ সালে অনুষ্ঠিত ষষ্ঠ ও ২০০১ সালে অনুষ্ঠিত অষ্টম জাতীয় সংসদে সরকারি দল হিসেবে ছিল বিএনপি। ১৯৯৬ সালে অনুষ্ঠিত সপ্তম, ২০০৮ সালে অনুষ্ঠিত নবম জাতীয় সংসদে ছিল বিরোধী দলের আসনে।

স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের অংশ হিসেবে ১৯৮৬ সালে অনুষ্ঠিত তৃতীয়, ১৯৮৮ সালে অনুষ্ঠিত চতুর্থ এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে ২০১৪ সালে অনুষ্ঠিত একদলীয় দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন বর্জন করে বিএনপি।

দেশে গনতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা ও ভোটের অধিকার রক্ষায় ২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত একাদশ সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে বিএনপি। কিন্তু এই নির্বাচনও শাসকগোষ্ঠীর চরম স্বেচ্ছাচারিতায় একদলীয় নির্বাচনের রুপ লাভ করে।ব্যপক কারচুপি, অনিয়ম এবং ভোটকেন্দ্র দখলের মাধ্যমে জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হয়। মানুষ নতুনরুপে নতুন নামে বাকশালের পুনঃ জন্ম দেখতে পায়। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির আবির্ভাব হয়েছে জনগণের অধিকার রক্ষায়। তাদের অর্থনৈতিক মুক্তি ও প্রকৃত স্বাধীনতা এবং

সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে।এই দলটি কখনই ক্ষমতা কুক্ষিগত করে রাখার চেষ্টা করেনি। অবৈধ ক্ষমতার রাজনীতি বিএনপির জন্য নয়। সুসংগঠিত বিএনপিই পারে জনগণের লুন্ঠিত অধিকার ও সার্বভৌমত্ব ফিরিয়ে আনতে।আর এইজন্য জিয়াউর রহমানের ১৯ দফা আজকের দিনেও প্রাসংঙ্গিক।সব কথার শেষ কথা জাতীয়তাবাদী ও দেশপ্রেমিক সকল শক্তিকে আজ একতাবদ্ধ হতে হবে। জনগণকে সংগঠিত করতে হবে। অধিকার রক্ষায় আত্মত্যাগের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।
জনগন বিএনপির পাশে সব সময়ই ছিল, এখনও আছে। বারবার আস্থা রেখে, ম্যান্ডেট দিয়ে তার প্রমাণ তারা দিয়েছে।

 

লেখক: শাহিনুর ইসলাম শাহীন

আহ্বায়ক, ভবানীগঞ্জ পৌর যুবদল, সদস্য, ভবানীগঞ্জ পৌর বিএনপি,

 

প্রতিমুহুর্ত্বের খবর দ্রুত পেতে পেজে লাইক দিয়ে আমাদের সাথেই থাকুন




এই পোষ্টটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category










© All rights reserved © 2021 dainikbagmara.com.bd
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
x
error: Content is protected !!